Udoy Saha Abir

I am a Writer

Udoy Saha Abir

Hi, i am Udoy Saha (Abir) There's nothing worth talking about yourself In fact, it may not be the last. I Abir Saha Uday and i am not a celebreaty. I am a very ordinary boy I was born in a middle-class family Like everyone else, I have many dreams to wake up I do not know what to do really need all dreams I am one of the parents of the boy band. I have too much anger I am very persistent My mother and father to my world Profession I think there is no end to learning We are all the same throughout the life of the Student I am a student at CSE study. Student Learning Earning Devolopment Project i like blogging and i am a proffetional blogger and i like online work like SEO,Content Writing,Digital Marketing

  • fb/abirudoy
  • +8801831330523
  • udoysaha123@gmail.com
  • http://www.udoysaha.ml
Me

My Professional Skills

Now i am reding COmputer Science Engnerring and I am a digital marketer .I write Unique Article.I do SEO and others online job

DIgital Marketing 90%
Web Desing and Devolopment 70%
App Development 65%
Wordpress 95%

Online Job/Projects/Work

Hey i have 5 year experience on SEO,Content/Article writing,Smm,Digital Marketing,Graphics Desing,Blog,Wordpress and i have a team of online any work have many experts are there if you are interested you can send me job

Content/Article Writing

I have 5 year experience on SEO,Content/Article writing.if you interested I send you Unique pure article/Content quickly for your products/site

Responsive Design-Blogspot/Wordpress

I can build and desing your Wordpress/Blogger webiste quickly

Ads Server

Hey our team have 400 website with lots of visitor if you interestedyou can advetaize your products for promotion as our ads publiser.

SEO/SMM

If you have website submisson/product promoting seo smm contarct with me i can send you hi hg Backlink ans Social Media Bookmarking for your products.

Fast support

If you face any online problem 24/7 active message me on fb/abirudoy.If you are my client you have specially offer.

0
completed project
0
Award
0
facebook like
0
current projects
  • কল্পনাতে কাল্পনিক

    কল্পনাতে কাল্পনিক
    তখন 5th semister পরিক্ষা চলছিল তারিখ টা আজও আমার মনে আছে কারন ওই দিনটি ছিল একটা কাছের ছোট ভাইয়ের জন্মদিন।হোস্টেল এ থাকতাম বলা যায় তখন বড় ভাই আর হোস্টেলের কমবেশী ছোটভাই আমাকে যেমন ভয় পেত তেমন সন্মান ও করত।জাই হোক কথায় আসি ছোটভাইয়ের জন্মদিনের কারনে ঠিক করলাম আর কেও না শুধু দুইজনে Celebrate করব সাদ এ।কথামতন বারিকিউ এর জন্য সবকিছু আর সাথে বিয়ার সিগারেট আর কফি যদিও আমি সিগারেট খাই না তবে সেদিন খুব ইচ্ছা করছিল।
    রাত ১২ টার সময় সাদ এ উঠলাম উঠেই দরজা টা বন্দ করে দিলাম সুরু হল ফায়ার কাম্প ..............................।।
  • Rohosso

    ইঞ্জিনিয়ারিং ৫থ সেমিস্টার ফাইনাল এক্সাম দিয়ে বারিতে ছুটি তে।সকাল হয় এখন ১০ বা ১১ টায় সেদিন সকালে একটা কল পেয়ে ঘুম  ভাংল।
    আগে পরিচয় করিয়ে দেই  Dr K.H dutt অনেক বছর দেশ এর বাইরে থেকেছে বিয়ে করেন নি অগাধ সম্পত্তি বারিতে একা থাকেন সাথে একটা চাকর।বেস গম্ভির লোক আসলে আমাদের বয়সি চেলেদের সাথে তো আর আড্ডা দিবেন না তাই আমাদের কাছে গম্ভির ই বলা বাহল্ল।
    আমাদের অনেক দুরসম্পরকের আত্মীয় তিনি। আমার খুরতত ও পিসিত ভায়েরা প্রায় এ তাকে দেখতে যায় আসলে সব কিছুর প্রধান কারন হল তার তাকা,সম্পত্তি।আমি একবার গিয়েছিলাম তার একটা বিসয় আমার ভালো লাগে তিনি অনেক adventure প্রিয় মানুশ।অনেক রকম সখ আছে তার ।তবে তার ওখানে গেলে আমার ভালো লাগে না আর ওই সম্পত্তির লোভ আমায় ধরতে পারে নি কাকাবাবু সব ই বুঝেন যে  কে কি জন্য আসে।
    এখন আসা আসল কোথায় ঘুম এর ঘোরে ই call টা recive করতে করতে ই সুনলাম একটু অন্য রকম কন্থে কাকাবাবু বললেন আবীর সুনলাম ছুটি তে বারি এসেছ একটু আস্তে পারবে আমার বারিতে বিশেষ প্রয়োজন।
    কাকাবাবুর গলা টা কেমন যেন ভারি ভারি লাগ্ল।কেন জানি না উথে ready হয়ে ই রওনা দিলাম তার বারির উদ্দেশে.
    ১১ টা ৩০ নাগাদ তার বারি তে পৌঁছলাম সব ই ঠিক থাক ।চাকর টা আমায় ফ্রেশ হতে বললেন কিছু সময় পর এক কাপ চা দিয়ে গেলেন অগত্যা আমি বসসে কাকাবাবুর বই এর Collction গুলো দেকছিলাম এর মধ্যে একটা সত্যজিৎ এর ফেলুদা সিরিজ এর  বই পড়তে পড়তে ককন যে চোখ টা লেগে এসেছে জানি না

    ঘুম ভাংল কাকাবাবুর ডাক এ। Good Afternoon Young Man.ঝাপসা চোখ এ তাকে দেখে উথে বসলাম.একি সব ই তো ঠিক আছে তাহলে উনি আমায় এমন ভাবে ডাকলেন কেন যাই হোক বেজায় রাগ হল লোকটার উপর।
    কিছু সময় পর বের হলাম উনার বাগান দেখতে কত বড় বারি র বাগান এ কত ফুল ও বিভিন্ন ধরনের গাছ এমন এমন গাছ আছে যা চোখে ই দেখি নি বেস ভালো ই লাগছিল সন্ধার আগে বাগানে বসে দারজিলিং এর চা খেলাম সুনলাম কাকাবাবুর বন্ধু এনে দিয়েছে। সন্ধ্যা টা ভালো ই লাগ্ল।সন্ধার পরে কাকাবাবুর সাথে দাবার আড্ডায় বসলাম যদি ও কোনদিন এমন ফ্রি হয় নি উনার সাথে  যায় হোক রাত ৯ টা বাজতেই উনার ঘরি জানান দিল ধং ধং করে হটাত করে খেয়াল করে দেখলাম কাকাবাবুর মনযোগ খেলা তে নেই তার ভিতর কেমন যেন একটা ভয় কাজ করছে।কাকাবাবু চাকর কে দেকে আমাকে খেতে দিতে বললেন আর চাকর কে বললেন উনি খাবেন না পরে আমার জরাজুরি তে উনি খেতে বসলেন খাওয়া শেষ হতে ই সেয়ালের ডাক সুনলাম।
    খাওয়া শেষ করে উনি শুতে গেলেন আমি ও ঘর এ বসলাম পকেট থেকে একটা সিগারাট বের করে মুখে নিয়ে ম্যাচ জালতেই নিভে জাচ্ছিল পাসের জানলা খোলা সো বাতাশ এর কারনে হচ্ছে এসব জানলা দিতে গিয়ে চোখ পরল বাগানের দিক টা তে মনে হল কেও আছে ওখানে এরপর আর কিছু না ভেবে বের হলাম কাওকে না দেখে অগত্যা সিগারেট টা শেষ করে ঘর এ সুয়ে ঘুম না আসায় সেই বই টা পরছিলাম চোখে হাল্কা ঘুম এর টান আস্তে আস্তেই হটাত একটা সব্দ............।।

  • শুভ বিজয়া

                                       শুভ বিজয়া                                  


    Bengali Festivals


    মা থাকবে কতক্ষণ, মা যাবে বিসর্জন। পুজো, পুজো, পুজো। পুজো শেষ। এবার বিদায়ের পালা। বাপের ঘর অন্ধকার করে ছেলে মেয়ে নিয়ে উমা ফিরবেন পতিগৃহে। তারপর বছরভরের অপেক্ষা। বাঙালি ফিরবে নিজের জীবনে। আর পাঁচটা আম দিনের মত সুখে দুঃখে কাটবে সময়। তার আগে অবশ্য বিজয়ার বিদায় বেলায় অন্য এক খুশির আনন্দে মেতে ওঠে বাঙালি। ঘাটে ঘাটে চলে ভাসান। নাচের তালে হৈহৈ করে সবাই চেঁচিয়ে ওঠেন ‘আসছে বছর… আবার হবে।’
    বিজয়া দশমীর সকালে সুতোকাটা, আর সিঁদুর খেলার পরই শুরু বিসর্জনের তোড়জোড়। বাড়ির ঠাকুর আগেই জলে পড়ে। দুপুর দুপুর। পরিবারের লোকজনই ছোট টেম্পোয় অথবা মাটাডোরে করে একচালার ঠাকুর নিয়ে হাজির গঙ্গার ঘাটে। দুপুরের দিক হলে ফাঁকা পাওয়া যায়। অনেক পরিবারেরই নিজস্ব কিছু রীতি আছে। সেই রীতি মেনে তবেই বিসর্জন দেওয়া যায়। ফলে গঙ্গার ঘাটেও তাদের বেশ কিছুটা সময় কাটে। আগে যেমন কলকাতার এক বনেদি বাড়ির পুজোর রীতি ছিল নীলকণ্ঠ পাখি ওড়ানো। সে পাখি আকাশে উড়ত ঠিকই কিন্তু সামান্য ওড়ার পরই তার ওড়ার ক্ষমতা হারিয়ে যেত। তখন কাকেরা ঠুকরে মারত তাদের। ওই পরিবারের রীতি ছিল বিসর্জনের আগে নীলকণ্ঠ উড়িয়ে কৈলাসে আগাম জানান দেওয়া, উমা ফিরছেন। কিন্তু কালক্রমে সে রীতি আর নেই। সেই জায়গায় প্রতীকী একটি কাঠের নীলকণ্ঠ পাখি গঙ্গার দিকে ছুঁড়ে দিয়ে সাবেকরীতির মর্যাদা রক্ষা করেন নতুন প্রজন্ম।
    বিকেল যত গড়াতে থাকে ততই শহরের বিভিন্ন ঘাটে জমতে থাকে বারোয়ারির ভিড়। এক এক করে লরি ভিড় জমাতে থাকে ঘাটে। কখনও পাড়ার ছেলেরা নিজেরা, তো কখনও ভাড়া করা লোক দিয়ে শুরু হয় একের পর এক ভাসান। কোনও সময় নষ্ট নয়। কোনও বেয়াদবি নয়। সুশৃঙ্খলভাবে চলে বিসর্জন। কড়া পুলিশি নিরাপত্তার ঘেরাটোপে। আর তাদের গায়ে লেপটে থাকে বিভিন্ন চ্যানেলের প্রতিনিধি, চিত্রগ্রাহক। দুরে দাঁড়িয়ে থাকে তাদের ওবি ভ্যান। সবসময় ছাতা তোলা। শুধু একবার প্রডিউসারের নির্দেশ এলেই হল। লাইভ শুরু।
    এদিকে রাত যত বাড়ে ততই বাড়তে থাকে বারোয়ারির ভিড়। লরির লম্বা লাইন পড়ে যায়। অনেক বারোয়ারিরই ভাসান দিতে ভোর হয়ে যায়। তবে এই সময়টা যে কিভাবে কেটে যায় বোঝাই যায় না। রাস্তার দুপাশে মানুষের ঢল। ভাসান দেখার ভিড়। আলো, হৈচৈ। একটা অন্য পরিবেশ।
    বিজয়া মানেই প্রণাম, বিজয়া মানেই আশীর্বাদ, বিজয়া মানেই মিষ্টি মুখ, বিজয়া মানেই কোলাকুলি। বাঙালি যতই বদলে যাওয়া বিশ্বের সঙ্গে পা মেলাক না কেন, এই রীতিগুলো তাদের আজও নাড়া দেয়। আনন্দ দেয়। ভাল লাগে। নাহলে কবে ছুঁড়ে ফেলে দিত এসব সনাতনী ভাবধারা। আসলে এটা একটা আবেগ, নস্টালজিয়া। নইলে ইংল্যান্ড, জার্মানি, আমেরিকায় বসেও বাঙালি চুটিয়ে পদ্ম ফুল সাজিয়ে, বিশুদ্ধ মন্ত্রোচ্চারণে দুর্গাপুজো করে! কোথায় আছেন মশাই, জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে একটি দুর্গাপুজো পুজো কমিটির সদস্যরা নিজেরাই নাকি গোটা মহালয়াটা নিজেদের মত করে করেছেন। মন্ত্র পাঠ থেকে গান সবই হয়েছে সেই পঙ্কজ মল্লিকের সাজানো ঢঙেই।
    তবে হ্যাঁ, মিষ্টি মুখ থাকলেও কিছু প্রথাগত মিষ্টিতে বদল এসেছে বৈকি। মা, ঠাকুমাদের মুখে শুনেছি, বিজয়ার মিষ্টিমুখ মানেই নারকেল ছাপা। এককথায় নারকেলের বিভিন্ন মিষ্টি। নাড়ু, চন্দ্রপুলি, নারকেল ছাপা এসব আর কি! কিন্তু সময় বদলের সঙ্গে সঙ্গে নারকেল ছাপা এখন এন্ডেনজারড স্পিসিস। খুঁজে পাওয়াই ভার। খাওয়া তো দুরের কথা! সে জায়গা এখন দখল করেছে বাহারি সন্দেশ, নিদেনপক্ষে রসগোল্লা।
    মনে আছে আগে ঠাকুর ভাসান দিয়ে ফিরে আমাদের পাড়ায় খুব নাচ হত। পাড়ার ছেলে ছোকরার দল ঢালের তালে কোমর দোলাত। এদের মধ্যে আবার কয়েকজন বেশ দক্ষ নাচিয়ে। তারা নাচতে শুরু করলে অন্যরা চারপাশে দর্শকের ভূমিকা নিত। আর তা না হলে সকলেই গো অ্যাজ ইউ লাইকের মত, নিজের নিজের ঢঙে নাচতে থাকতো। ঢাক থামলে সবাই বসে পড়ত রকে। আসত সিদ্ধি। কেউ এক চুমুক, কেউ এক গ্লাস। পরিমাণের ঠিক থাকতো না, তবে হাতে লাইসেন্সটা থাকতো। বাড়ির সকলের সামনে বেশ বুকফুলিয়ে এমন নেশার তরল পানের সুযোগ বছরের অন্য কোনও সময় ঠাকুরের দোহাই দিয়ে কিন্তু মেলা অসম্ভব ছিল। মনে আছে সব শেষে আসত শান্তির জল। পুরুত মশাই একটা আমশাখা দিয়ে জল ছিটিয়ে দিতেন। আর সকলের চেষ্টা থাকতো কোনোভাবে যেন এক ফোঁটাও কোমরের নিচের অংশ না ছোঁয়। বাড়িতে ঢোকার আগে একবার ঠিক নজর যেত প্যান্ডেলের দিকে। অন্ধকার বেদিতে তখন জ্বলত একটা টিমটিমে প্রদীপ। আর সেই প্রদীপের আলো বলে যেত পুজো শেষ। এবার একটা বছরের অধীর অপেক্ষা।
    বিজয়ার পরের দিনটা বেশ ক্লান্তির মধ্যেই কাটতো। উৎসবের ধকলটা এবার মাথা চাড়া দিত। সারা শরীরে ব্যথা। শুধু মনে হত খাই আর ঘুমোই। কোনও কাজ নয়। তবে সে একদিনের ব্যাপার। দ্বাদশী থেকেই প্যান্ডেলের চেহারা বদলে ফেলা হত। ভাঙা হোক, তবু তাকেই এদিক ওদিক করে কিছুটা ম্যানেজ করে তৈরি হত লক্ষ্মী ঠাকুরের বসার জায়গা। ফের হ্যালোজেনের আলো জ্বলে উঠত প্যান্ডেলে, গলিতে। এসে পড়ত পূর্ণিমা। কোজাগরী পূর্ণিমা। লক্ষ্মী পুজোর নতুন আনন্দে ফের মেতে উঠত গোটা শহর।






  • Know about me more

    If you want to know me take a search on google Udoy Saha Abir.and you know about me on Wikipedia

    Powered by Blogger.
    Facebook

    fb/abirudoy

    EMAIL

    udoysaha123@gmail.com
    abirudoy@outlook.com

    twitter

    UdoySahaAbir

    MOBILE

    +8801831330523,
    +880-1831-330-523